
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার আশুলিয়ায় সাংবাদিক সোহরাব হোসেন ওরফে সৌরভকে আবারও হুমকি দেওয়া এবং তাঁর দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিজের ও পরিচিতজনদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর বক্তব্যে এসব অভিযোগ উঠে এসেছে। সাংবাদিক সৌরভের দাবি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের পরও আসামিদের গ্রেপ্তার কিংবা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যেকোনো সময় হামলার শিকার হতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। এর আগে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে আশুলিয়ার জামগড়া ছয়তলা এলাকায় সাংবাদিক সোহরাব হোসেনের ওপর হামলা, মারধর, নগদ এক লাখ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগের কথা জানানো হয়। এ ঘটনায় এনামুল হক, শেখ ওয়াসিম ইকবালসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও সংবাদে উল্লেখ করা হয়। সাংবাদিক সৌরভের সাম্প্রতিক বক্তব্য অনুযায়ী, এক ভাঙারি ব্যবসায়ী তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। পাশাপাশি, ভাঙারি দোকানে পুলিশ পাঠানোর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ওই ব্যবসায়ী হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিরোধের জেরে তাঁর বা তাঁর পরিচিতজনদের কোনো ক্ষতি হলে কিংবা কেউ গ্রেপ্তার হলে তার জন্য সাংবাদিক সৌরভকে দায়ী করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। এ ছাড়া, ফেসবুকে তাঁর নাম উল্লেখ করে প্রকাশিত পোস্ট মুছে ফেলা এবং পরদিন বিকেলে আইনজীবীর উপস্থিতিতে মামলা প্রত্যাহার-সংক্রান্ত কাগজে স্বাক্ষর করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক সৌরভ। এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানানোর জন্যও তাঁকে চাপ দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ রয়েছে। এ অবস্থায় নিজের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাংবাদিক সৌরভ। তাঁর অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, “মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।” তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে আসামি গ্রেপ্তারে সহায়তা করার বিষয়ে কথা বলতে বলা হলে তিনি কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক সৌরভ।