শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তরুণ সাংবাদিক হাসান হাওলাদারকে হুমকির ঘটনায় বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)–এর তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ। সৎ, ন্যায়নিষ্ঠ, সাহসী ও মানবিক ইউএনও সাবরিনা শারমিন: কর্মদক্ষতায় মানুষের হৃদয়ে অনন্য এক নাম সেহলী পারভীন-ই হিউম্যান এইডের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব — মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট উত্তরায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সাংবাদিকের মর্মান্তিক মৃত্যুতে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ। উত্তরায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সাংবাদিকের মৃত্যু: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের গভীর শোক, সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের জবাবদিহির দাবি গাজীপুর বিআরটিএ-তে ঘুষের মহোৎসব (পর্ব–১): সহকারী পরিচালক মাহফুজুর ও মোটরযান পরিদর্শকের সিন্ডিকেটে জিম্মি সেবাগ্রহীতারা প্রতিটি ক্লাসে পাঁচ মিনিট নৈতিক শিক্ষা দিন’—শিক্ষকদের প্রতি প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের আহ্বান আদর্শ শিক্ষকের অভাবে বাড়ছে মাদক ও সমাজের অধঃপতন: রিজভী অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির অভিযোগ: তদন্ত হোক সবার জন্য একই মানদণ্ডে জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত-এর ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ১০ জুলাই: বর্ণাঢ্য আয়োজন, সবার প্রতি উপস্থিত থাকার আহ্বান

স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক পদে আলোচনার শীর্ষে কে এই রফিক

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ১৩৭ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক :

একজন ত্যাগী, সাহসী ও পরীক্ষিত জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক কর্মীর নাম রফিকুল ইসলাম রফিক,দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, কারাজীবন, নেতৃত্বগুণ এবং সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন দৃঢ়চেতা রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে। ভোলার চরফ্যাশনের একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৮৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন রফিকুল ইসলাম রফিক। তাঁর পিতা আলহাজ্ব আব্দুল মালেক হাওলাদার ছিলেন একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী এবং মাতা রাহিমা বেগম ছিলেন স্নেহময়ী ও আদর্শবান নারী। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও প্রতিভাবান। ১৯৯৩ সালে পঞ্চম শ্রেণিতে এবং ১৯৯৬ সালে অষ্টম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করে শিক্ষাজীবনে নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখেন। শৈশবেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদী দর্শনের গল্প শুনে তিনি জাতীয়তাবাদের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হন। সেই আদর্শিক বিশ্বাস থেকেই ১৯৯৯ সালে কলেজ ছাত্রদলের সদস্য ফরম পূরণের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে তাঁর পথচলা শুরু হয়। যোগদানের দ্বিতীয় দিনেই ছাত্রদলের একটি মিছিলে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। কিন্তু হামলা-নির্যাতন তাঁকে দমিয়ে রাখতে পারেনি; বরং রাজনীতির প্রতি তাঁর অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করেছে। পরবর্তীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ছাত্রদলের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করেন। ২০০১-২০০২ সেশনে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়র পরিসংখ্যান বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন এবং পরে পরিসংখ্যান বিভাগ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হন। দেশের ক্রান্তিকালে অবৈধ ১/১১ সরকারের সময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জনাব তারেক রহমান গ্রেফতার হলে প্রতিবাদী ছাত্রসমাজকে সংগঠিত করতে গিয়ে ছাত্রদলের মিছিল থেকে তিনিও গ্রেফতার হন। দেশদ্রোহী মামলার আসামি করে তাঁকে দীর্ঘদিন কারাবরণ করতে হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের হরতাল চলাকালে মিছিল শেষে ডিবি পুলিশের হাতে পুনরায় গ্রেফতার হন। তিনদিন গুমসদৃশ অবস্থায় রেখে অমানুষিক শারীরিক নির্যাতনের পর একাধিক মামলায় তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। রাজনৈতিক জীবনে মোট সাতবার গ্রেফতার হয়ে প্রায় ৬ মাস ২০ দিন কারাগারে কাটাতে হয়েছে তাঁকে। তবুও আদর্শ থেকে একচুলও সরে যাননি তিনি। বিএনপি ও ছাত্রদলের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোতে তাঁর নেতৃত্বগুণ বিশেষভাবে প্রকাশ পায়। ২০১৬ সালে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব লাভ করেন। ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ছাত্রলীগ বেগম খালেদা জিয়ার নামে নির্মিত বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণার নামফলক ভেঙে ফেললে তিনি প্রতিবাদে সোচ্চার হন। আওয়ামীপন্থী প্রশাসনের হুমকি-ধামকি উপেক্ষা করে তাঁর নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে মিছিল, সভা ও ছাত্রধর্মঘটের কর্মসূচি পালিত হয়। ঘোষিত ২০ দিনের আল্টিমেটামের মাত্র ১৩ দিনের মাথায় নামফলক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে প্রশাসন বাধ্য হয়। তাঁর এই সাহসী নেতৃত্ব দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয় এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়। সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বয়সসীমাজনিত কারণে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলে স্থান না পেলেও তিনি কখনো হতাশ হননি। ছাত্রদল থেকে ২০২১ সালে বিদায় নিয়ে তিনি যোগ দেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলে। সাংগঠনিক দক্ষতা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৩ সালে এস এম জিলানী ও রাজিব আহসান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম সাংগঠনিক টিমের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন, যার আওতায় রয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর জেলা, লক্ষ্মীপুর, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলা। একজন সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি সবসময় ছাত্রসমাজের পাশে দাঁড়াতে গর্ববোধ করেন। ছাত্রকল্যাণে বিভিন্ন অরাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের সাথেও তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। জাতীয়তাবাদের আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত রাখতে চান আজীবন। রফিকুল ইসলাম রফিক শুধুমাত্র একজন রাজনৈতিক কর্মী নন; তিনি ত্যাগ, সাহস, নেতৃত্ব ও আদর্শিক দৃঢ়তার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 Bangladesh CentralPress Club
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
ThemesBazar-Jowfhowo