মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মহেশপুরে তেল,গ্যাস বিদ্যুৎ ও সারসংকট নিয়ে জামায়াতের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কমলাপুর রেলস্টেশনে ৩০০ অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ অল্প সময়ের মধ্যেই কক্সবাজারের ১০ উপজেলায় কমিটি অনুমোদন দেবে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব কেন্দ্রীয় কমিটি টেকনাফে জননিরাপত্তায় নতুন সেনা ক্যাম্প রঙ্গিখালী-বড় ডেইল এলাকায় প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন গলাচিপায় পৌরকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক আশুলিয়ায় সাংবাদিক সৌরভকে আবারও হুমকির অভিযোগ, মামলা প্রত্যাহারে চাপ দেওয়ার দাবি “দায়িত্ব পালনকালে জীবন উৎসর্গকারী সনাতন ধর্মালম্বী পুলিশ সদস্যের পরিবারকে শারদীয় শুভেচ্ছাসহ উপহার সামগ্রী প্রদান সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান ও এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় রাজু চৌধুরীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান ঝিনাইদহে ১০৪টি উদ্ধারকৃত মোবাইল ও টাকা হস্তান্তর,

প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১১ Time View

। এস এম জসিম বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রামকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও নান্দনিক নগরী হিসেবে সাজিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন, সড়ক উন্নয়ন, ঐতিহাসিক স্থাপনার সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এসব উদ্যোগ শুধু প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নয়; বরং নগরবাসীর দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও নান্দনিক চট্টগ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্যেই সিটি কর্পোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরীর ঐতিহাসিক জে এম সেন হল প্রাঙ্গণের সৌন্দর্যবর্ধন ও সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চার দিন আগেও জেএম সেন হলের যে চিত্র ছিল, বর্তমানে তার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জায়গাটিকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। আমরা চেয়েছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এখানে এলে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সৌন্দর্যের একটি সুন্দর প্রতিফলন দেখতে পাবেন। চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে এ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। যাত্রা মোহন সেনগুপ্ত, যতীন্দ্র মোহন সেনগুপ্ত, সূর্য সেন ও মহিমচন্দ্র দাসসহ যাঁরা দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাঁদের স্মৃতি ও ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। একসময় এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে ছিল। সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে সেগুলো নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে নতুন প্রজন্ম চট্টগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারে। জে এম সেন হল প্রাঙ্গণের পরিবর্তন প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, এখানকার সার্বিক পরিবেশ, সাজসজ্জা ও সৌন্দর্যবর্ধনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সাজসজ্জার কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথে অবৈধ ব্যানার, ফেস্টুন অপসারণ করা হয়েছে। অন্যান্য দৃশ্যমান উপস্থাপনাও নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন করা হয়েছে, বিভিন্ন সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে এবং বোট ক্লাব সড়কেও উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হয়েছে। নগরীর অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে উন্নয়নকাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের পর কাজ শুরু করার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা অনুযায়ী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর আগে বিমানবন্দর সড়ক ও ভিআইপি সড়কসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, বিমানবন্দর সড়ক থেকে শুরু করে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ পরিদর্শন করেছি। গত কয়েক মাস ধরে এসব কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আমরা চাই, চট্টগ্রামে প্রবেশের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী ও আগত অতিথিরা একটি পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল ও সুন্দর নগরীর চিত্র দেখতে পান। সামগ্রিকভাবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করার জন্য প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে নগরবাসীর আগ্রহ ও উৎসাহের কথা তুলে ধরে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ আনন্দ ও উৎসাহের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন। নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি সনাতন ধর্মাবলম্বী মা-বোনেরাও তাঁকে বরণ করতে উচ্ছ্বসিত। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। জামালখান এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে মেয়র বলেন, জামালখান চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম সুন্দর ও আকর্ষণীয় এলাকা। নগরবাসী এখানে অবসর কাটাতে, ঘুরতে এবং বন্ধু-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটাতে আসেন। এ কারণে এলাকাটিকে আরও নান্দনিক ও জনবান্ধব করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে এলাকার পরিবেশ, চলাচল ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে নগরবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে এলাকাটি ব্যবহার করতে পারেন। মেয়র আরও বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, নান্দনিক ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করা সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সৌন্দর্যবর্ধন, সড়ক উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা এবং জনবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলার কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নেওয়া প্রস্তুতির পাশাপাশি নগরীর সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 Bangladesh CentralPress Club
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
ThemesBazar-Jowfhowo