
সাঈদা সুলতানা ,স্টাফ রিপোর্টার:
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন–এর ক্যামেরায় ধরা পড়ল উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা ও দেশের জনপ্রিয় মানবাধিকার নেত্রী সেহলী পারভীন–এর এক আন্তরিক ও তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত। রাজধানীতে আয়োজিত রুনা লায়লার একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেই উপস্থিত হন সেহলী পারভীন। প্রিয় শিল্পীর সামনে গিয়ে তিনি ভক্তের মতোই সম্মান জানিয়ে কিছুটা নত হয়ে বসেন, যা উপস্থিত সবার নজর কাড়ে। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে দু’জনের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় উঠে আসে দেশের বর্তমান সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নানা সংকট, বিশেষ করে নতুন গীতিকার ও সুরকারের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ। রুনা লায়লা বলেন, দেশের সঙ্গীতশিল্পের দীর্ঘ ঐতিহ্য থাকলেও নতুন প্রজন্মের গীতিকার ও সুরকার তৈরিতে পর্যাপ্ত উদ্যোগের অভাব রয়েছে। তিনি তরুণদের সৃজনশীলতা বিকাশে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর আহ্বান জানান। অন্যদিকে সেহলী পারভীন সারাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সংস্কৃতি ও মানবাধিকার একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। শিল্প, সাহিত্য ও সংগীত মানুষের কথা বলে; তাই শিল্পীদের নিরাপত্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি।” তিনি মানবাধিকার সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে সংস্কৃতি অঙ্গনের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মতবিনিময় শেষে উপস্থিত অতিথিরা এই সাক্ষাৎকে শিল্প ও মানবাধিকারের মধ্যে এক ইতিবাচক সংযোগ হিসেবে দেখেন। অনুষ্ঠানটি শুধু একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং দেশের সাংস্কৃতিক বিকাশ ও মানবাধিকার রক্ষার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।