
বিশেষ প্রতিনিধি :
গভীর শ্রদ্ধা, বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা, বর্ণাঢ্য আয়োজন, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মহা ধুমধামে পালিত হয়েছে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, আবেগঘন স্মৃতিচারণ এবং শহীদ জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়নের দৃঢ় প্রত্যয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ১১টায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন। এ সময় তারা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় অনুষ্ঠিত এ প্রার্থনা পর্ব ছিল অত্যন্ত আবেগঘন।এরপর দুপুর ২টায় মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। বিকেল ৪টায় রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরে ফুয়াদ কমিউনিটি সেন্টারে (মোহনা টেলিভিশনের পাশে) এক জাঁকজমকপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয়তাবাদী চেতনায় উজ্জীবিত এ আলোচনা সভায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রনায়কোচিত নেতৃত্ব, দেশগঠনে তাঁর অসামান্য অবদান এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি রেজাউল করিম দিপু। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম মহানায়ক। তাঁর আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানের সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মহসিন মিয়া বলেন, “জিয়ার সৈনিকদের প্রতিটি পদক্ষেপ হতে হবে দেশপ্রেম, সততা ও মানবকল্যাণে অনুকরণীয়। আমাদের এমনভাবে কাজ করতে হবে যাতে আমরা বাংলাদেশের জন্য রোল মডেল হতে পারি।” এ সময় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল বলেন, “শহীদ জিয়াউর রহমান যেমন ছিলেন জাতি গঠনের দূরদর্শী কারিগর, তেমনি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী ও জনগণের আস্থার প্রতীক। তাদের আদর্শ অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ পরিচালনা করলে বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধ, আদর্শ ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।” অনুষ্ঠানে আরম বক্তব্য রাখেন,কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আলহাজ্ব তৈয়বুর রহমান বলেন, “আমরা জিয়ার সৈনিক। আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শহীদ জিয়ার দেশপ্রেম, সততা ও আদর্শকে ধারণ করতে হবে।”অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, “শহীদ জিয়ার আদর্শকে বুকে ধারণ করে এ সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে। দেশের কল্যাণে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব।” অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ অঞ্চল সাংবাদিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া,অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা মোঃ জহুরুল আমিন, ঢাকা প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও দৈনিক বাংলার ডাক পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী, এ মান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাহজাহান, সংগঠনের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন মীর,মোঃ কামাল আহমেদ, খন্দকার অহিদুল হাসান,
মোঃ আলাউদ্দিন দুলু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আলামিন সম্রাট, খায়রুল বাশার লাবু, ইঞ্জিনিয়ার মনিরুজ্জামান, মোঃ আহসানুল্লাহ, রবিউল ইসলাম শামীম, নুর আলম, মুশতাক আলী রাসেল, মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মিয়া, সুরুজ মাতব্বর, জাহিদুর রহমান, মোঃ নুরুল ইসলাম বাবু, সরকার মাহফুজুর রহমান, আব্দুল হাই মিয়া, মনিরুজ্জামান বিপ্লব, শহিদুল ইসলাম ছোটন, ইব্রাহিম খান, আমিনুর রহমান জনি, রিয়াজউদ্দিন লিটন, মাসুদ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলম খান, আনোয়ার হোসেন নাদিম, মারুফ আব্দুল ওয়াহেদ, মোশারফ আলম, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম রাজু, মনির হোসেন জীবন, মিজানুর রহমান খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর মাহমুদ নীরব, সাইদুজ্জামান বাচ্চু, হাসিনুর ইমতিয়াজ আলী, একলাছুর রহমান, অর্থ সম্পাদক জিএস জয়, দপ্তর সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, প্রচার সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শাওন, আলমগীর হোসেন তালুকদার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট রেজওয়ানা আফরিন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, সমাজকল্যাণ বিষয়ক কে এম মোহাম্মদ হোসেন রিজভী, সাখাওয়াত হোসেন, মোঃ হেকমত আলী, যুব বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, মোস্তফা ফাইসাল, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, মোঃ সুজন মাহমুদ, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক তাহসিন আর ইসলাম, মোঃ সাগর আহমেদ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আনিছউদ্দিন সেন্টু, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক খাইরুনার হ্যাপি, শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ আলম, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মীর রাজিবুল হাসান নাজমুল, মোঃ খলিলুর রহমান, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ মান্নান, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, ক্ষুদ্র কুটির শিল্প বিষয়ক শিউলি আক্তার, যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক আজাদ হোসেন বাচ্চু, সহ-শিল্প বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ আলম, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আবু হানিফ, স্বাস্থ্য বিষয়ক মোঃ হেকমত আলী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন জুয়েল, পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মল্লিক, গাজী টিপু, স্বাস্থ্য
বিষয়ক সম্পাদক হাকিম মাহবুবা খানম, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বপন, কাজী মাহবুব আলম, মোঃ আজাহার আলী, মোঃ জাকির হোসেন এবং আনিছুজ্জামান খোকনসহ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। বক্তারা বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। তাদের আদর্শ, দেশপ্রেম, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করেই একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতীয়তা