
মোঃ জিয়া উদ্দিন, জেলা বিশেষ প্রতিনিধি, ভোলা :
ভোলার চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপি ও তাদের মিত্রজোটের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। এর মধ্যে ভোলা-১ আসনে আন্দালিভ রহমান (পার্থ) দ্বিতীয়বারের মতো এবং ভোলা-৩ আসনে মেজর অবঃ হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) সপ্তমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর চারটার দিকে ভোলার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম রহমান বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে গণভোটের ফলও প্রকাশ করা হয়, যেখানে চারটি আসনেই ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ‘না’ ভোটের চেয়ে বেশি।
ভোলা-১ (সদর)
ভোলা-১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান গরুর গাড়ি প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৭৫ হাজার ৩৩৭ ভোট। এছাড়া ইসলামী আন্দোলনের ওবায়দুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে পান ২৫ হাজার ৩৪৫ ভোট।
এ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৩টি এবং ‘না’ ভোট ৪৪ হাজার ৭৩১টি।
ভোলা-২ (দৌলতখান–বোরহানউদ্দিন)
ভোলা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মেজর অবঃ হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ফজলুল করিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৯৩ হাজার ৭০৩ ভোট।
এ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৮৩ হাজার ৭০৪টি এবং ‘না’ ভোট ২৯ হাজার ১৬৬টি।
ভোলা-৩ (লালমোহন–তজুমদ্দিন)
ভোলা-৩ আসনে হাফিজ উদ্দিন আহমদ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের ডেভেলপমেন্ট পার্টির নিজামুল হক ফুলকপি প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৩৫১ ভোট।
এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৯৪০টি এবং ‘না’ ভোট ৫৬ হাজার ৬০৭টি।
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন–মনপুরা)
ভোলা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোস্তফা কামাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট।
এ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৭০২টি এবং ‘না’ ভোট ৭১ হাজার ১৬১টি।