জাহাঙ্গীর আলম রাজু ,স্টাফ রিপোর্টার:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খেলনা পিস্তল ব্যবহার করে কনটেন্ট তৈরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তিহিম মাতব্বর। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষের শত্রুতামূলক অপপ্রচারের কারণে বিষয়টি বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিহিম মাতব্বর বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে টিকটকে বিনোদনমূলক কনটেন্ট তৈরি করছেন। ভিডিওতে ব্যবহৃত পিস্তলটি সম্পূর্ণ খেলনা হলেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সেটিকে আসল অস্ত্র হিসেবে প্রচার করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা। প্রকাশিত সংবাদগুলোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান। তিনি আরও বলেন, মিথ্যা সংবাদের কারণে তিনি ও তার পরিবার সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন। আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজনদের অযথা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে, যা তার পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন। তিহিম মাতব্বরের বাবা মোঃ জামাল ডাক্তার বলেন, তার ছেলে শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে। খেলনা পিস্তলকে আসল অস্ত্র হিসেবে প্রচার করা অন্যায় ও দুঃখজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার দাবি, একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে তিহিমকে হেয় করার চেষ্টা করছে এবং মিথ্যা সংবাদ তার পড়াশোনার মারাত্মক ক্ষতি করেছে। তিহিমের মা বলেন, ঘটনার পর থেকে তাদের পরিবার মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। একজন তরুণকে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সমাজে হেয় করা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। তিনি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সত্য প্রকাশের দাবি জানান। পরিবারের এক নিকট আত্মীয়ও বলেন, তিহিম দীর্ঘদিন ধরে কনটেন্ট তৈরি করলেও তাকে কখনো কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত দেখা যায়নি। স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, তিহিম মাতব্বর এলাকায় পরিচিত ও শান্ত স্বভাবের একজন তরুণ। তাদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খেলনা পিস্তল ব্যবহার করে ভিডিও বানানোর বিষয়টিকে কেন্দ্র করে তাকে নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। একজন বাসিন্দা বলেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ করে একজন তরুণের সম্মানহানি করা উচিত নয়। আরেকজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে সত্যতা যাচাই করা গণমাধ্যমের দায়িত্ব। একজন শিক্ষক মন্তব্য করেন, তরুণদের সৃজনশীল কাজে উৎসাহ দেওয়া উচিত এবং যাচাই ছাড়া নেতিবাচক সংবাদ প্রচার তাদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করতে পারে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা পরিবার ও এলাকাবাসী দ্রুত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে এবং সত্য উদঘাটনের অপেক্ষায় রয়েছেন
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি: খান সেলিম রহমান
মোবাইলঃ 01712608880
ইমেইলঃ khansalimrahman@gmail.com
© All rights reserved © 2023 Bangladesh CentralPress Club