শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) ও মাতৃজগত পরিবারের উদ্যোগে এক হাজার রোজাদারের মধ্যে ইফতার বিতরণ সাংবাদিক নির্যাতনমুক্ত বাংলাদেশ চাই — বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)। এম-ট্যাব কেন্দ্রীয় নেতার বগুড়া আগমন: টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের সৌজন্য সাক্ষাৎ কর্মীর পাশে সংগঠন: হাসপাতালে জিসাস বগুড়া জেলা কমিটির নেতৃত্বের উপস্থিতি রাজশাহীর ৪টিতে বিএনপি, ২টিতে জামায়াতের জয় কক্সবাজার-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর জয়। গাইবান্ধা-১ সংসদীয় আসনে দাঁড়িপাল্লার বড় জয়:বিজয়ী অধ্যাপক মাজেদুর রহমান জামালপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির বিজয় গাইবান্ধার ৫টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা: ৪টিতে জামায়াত, ১টিতে বিএনপির জয় ভোলা-লালমোহনে নেশা ও জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার, যুবসমাজের ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে

ভোলা-লালমোহনে নেশা ও জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার, যুবসমাজের ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৮২ Time View
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"border":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

 

মোঃ জিয়াউদ্দিন, জেলা বিশেষ প্রতিনিধি, ভোলা:
ভোলা জেলার লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, গ্রাম ও হাটবাজারে মদ, ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল এবং জুয়ার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ পরিস্থিতি ইতিহাসে বিরল এবং নজিরবিহীন, যা গ্রাম বাংলার সামাজিক অবক্ষয় ও যুবসমাজের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জানিয়েছেন, পূর্ববর্তী সরকারের শাসনামলে প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়ে এসব দুষ্কৃতিকারীরা সহজেই আইন এড়িয়ে নিজেদের কার্যক্রম চালাত। ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে তারা যে কোনো বাধা ছাড়াই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করত।
“অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন এলাকায় এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়নি। বিশেষ করে লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নে মদ, ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলের সরবরাহ ও ব্যবহার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলছেন, “এ ধরনের নেশা দ্রব্য কোথা থেকে আসে এবং কে বা কারা এগুলো নিয়ে আসে?”

এর ফলে যুবসমাজ নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে, শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং পড়াশোনায় বিঘ্ন তৈরি হচ্ছে। একপর্যায়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও ইভটিজিং এবং সামাজিক ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। এ অবস্থায় সামাজিক অবক্ষয়, অপরাধ বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটছে।

সচেতন মহল মনে করছেন, যদি সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশ প্রশাসন কঠোর নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনে, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপকর্ম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। তাই স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জনসাধারণের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 Bangladesh CentralPress Club
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
ThemesBazar-Jowfhowo