বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মিথ্যা মামলায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার নেতা নুরুল হোসাইন গ্রেপ্তারে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও গভীর ক্ষোভ। নির্যাতিত সাংবাদিকদের আস্থার ঠিকানা হয়ে উঠছে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) মহেশখালীতে ৭ মাসে কোরআনে হাফেজ হলেন তিন শিক্ষার্থী পাকিস্তান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ শাখার সহ-সভাপতি নির্বাচিত খান সেলিম রহমান। বগুড়া শেরপুরে প্রথম আলোর উপজেলা প্রতিনিধিসহ তিন সাংবাদিককে হত্যাচেষ্টা মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন। কদমতলীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য মো. ওয়াসিম নিখোঁজ, পরিবারের উদ্বেগ শোক ও সংযমের আবহে ইংরেজি নববর্ষ ২০২৬: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর শুভেচ্ছা বার্তা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর গভীর শোক বাংলাদেশ রিপোর্টার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আব্দুল আজিজ মাহফুজের স্মরণে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার উপদেষ্টা নির্বাচিত হলেন খান সেলিম রহমান।

আওয়ামী সরকারের দোসর দালাল কর্মকর্তা এখনো বহাল তবিয়তে

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫
  • ৩৬৮ Time View

 

মিরপুর প্রতিনিধি

বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৪ লাইসেন্স শাখায় এডি আলী আহসান মিলন।তার বাড়ি মাদারীপুরে শিবচর আওয়ামী লীগের দোসর নিক্সন চৌধুরীর খুব কাছের মানুষ। আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে তার ছিল ওঠা বসা। এই এডি মিরপুর-১৩ বিআরটিএ পাঁচ বছর ছিল সেখানে সে রাম রাজত্ব কায়েম করেছিল। তাই ঘুষ বাণিজ্যের মহোৎসবে মেতেছিল এডি আলি আহসান মিলন। লাইসেন্স শাখায় ঘুস বাণিজ্যের লেনদেনে ধরা খেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বদলি হয় এবং কিছুদিন সাসপেন্ড- এ থাকে।
জানা যায় আওয়ামী লীগ করে বলে আবারো চাকুরী ফেরত পায়। এই ঘুষখোর আলী আহসান মিলন বিভিন্ন আওয়ামী লীগের নেতাদের হাতে পায়ে ধরে আবার ২০২৪ সালে ঢাকা মেট্রো -৪ এ বদলি হয়ে আসে। ঘুস বাণিজ্য যেন তার নেশা ও পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এডি আলী আহসান মিলনের লাইসেন্স শাখাতেই থাকতে হবে এটা যেন তার মামা বাড়ির আবদার।কারণ লাইসেন্স শাখায় ঘুষ বাণিজ্য বেশি করা যায়। টাকা না দিলে লাইসেন্সে কেহ পাস করতে পারেনা। প্রতিদিন ড্রাইভাদের ফেল করিয়ে দেয়। তাই নিরাশ হয়ে বাড়িতে চলে যায়। এমনই অভিযোগ করেছে ০৫/০৩/২৫ ইং তারিখ পরীক্ষা দিতে আসা রোল নাম্বার ০৬+১০+১৬+৩৩+৩৭, সহ ১০০ এর মত ড্রাইভাররা। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় সবই এডি মিলনের কারসাজি, মাঠে পাশ করলেও অনলাইনে ফেল দেয়,এটা যেন তার প্রতিদিনের অভ্যাস। তার আছে বিশাল দালাল চক্র। এই অসৎ অফিসার আলী আহসান মিলন এর কারণে দিন দিন বিআরটিএর প্রতি মানুষের বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে।
ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৪ যেন তার হুকুমের গোলাম।তার সাথে হেড অফিস সহ বহু আওয়ামী দোসর অফিসারদের ছত্রছায়ায় সে চলে।

জানা যায়, সে ছাত্র জীবন থেকে ছাত্রলীগ করে এসেছে। আওয়ামী সরকার থাকাকালীন এডি আলী আহসান মিলন কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে। আওয়ামীলীগ সরকার থাকাকালীন বদলি বাণিজ্য ছিল তার পেশা। কারণ তার বাড়ি ছিল মাদারীপুর নিক্সন চৌধুরীর এলাকায়। বিভিন্ন দপ্তরে তার হাত ছিল। বর্তমানে ঢাকা সহ সারা দেশে রয়েছে তার কোটি কোটি টাকার সম্পদ, ব্যাংক ব্যালেন্স অবৈধ টাকা নামে বেনাম রয়েছে বহু বাড়ী-গাড়ী।
ঘুষখোর আওয়ামী লীগের দোসর এই এডি মিলনের খুটির জোর কোথায?

সেবা প্রত্যাশীরা দুর্নীতি দমন কমিশন সহ প্রশাসনের কাছে সু- দৃষ্টি কামনা করছে। যেন এই অসৎ এডি মিলন কে আইনের আওতায় আনা হয় এবং অন্তবর্তী কালীন সরকার প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মোহাম্মদ ইউনূস সহ তার দপ্তরের অনুসন্ধানী দল যেন মিলনের চাকুরি সহ অবৈধ সম্পদের হিসাব খুঁজে বের করে।

আরো আসছে পরবর্তী প্রতিবেদনে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 Bangladesh CentralPress Club
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
ThemesBazar-Jowfhowo